উত্তরার এক শিক্ষার্থী গত জুলাইয়ে আমাদের জিজ্ঞেস করেছিলেন, সাইপ্রাসে কোন মাসটাকে লক্ষ্য ধরে এগোবেন। কোথাও পড়েছিলেন সেপ্টেম্বরে ক্লাস শুরু হয়, তাই জুন থেকে কাগজপত্র গোছানো শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু সেপ্টেম্বরের জন্য জুনে দরজা আসলে বন্ধ হয়ে গেছে — বিশ্ববিদ্যালয়ে নয়, ভিসার টেবিলে। সাইপ্রাস সেমিস্টারের তারিখগুলো বেশ সহজভাবে প্রকাশ করে, অথচ যে সময়সীমাটি সত্যিই ঠিক করে দেয় আপনি উড়াল দিতে পারবেন কি না, সেটি প্রায় কেউ লেখে না।
সাইপ্রাস Intake Calendar ২০২৭-এ তিনটি সুযোগ আছে — Fall (ক্লাস শুরু সেপ্টেম্বরের শেষে), Spring (ক্লাস শুরু ফেব্রুয়ারির শুরুতে) আর Summer সেশন (জুনের মাঝামাঝি)। তবে আসল সময়সীমা সেমিস্টারের তারিখ নয়। নন-ইইউ শিক্ষার্থীদের পুরো ভিসা ফাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছাতে হয় সেমিস্টার শুরুর অন্তত তিন মাস আগে।
২০২৭ সালে সাইপ্রাসে ক্লাস আসলে কবে শুরু?
সাইপ্রাসে দুটি পূর্ণ সেমিস্টার আর একটি গ্রীষ্মকালীন সেশন চলে, আর তারিখগুলো এক বছর আগেই প্রকাশ করা হয়। University of Nicosia-র সরকারি ২০২৬–২০২৭ ক্যালেন্ডার ধরলে দেখা যায়, Fall-এর ক্লাস শুরু সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, Spring-এর ক্লাস শুরু সোমবার ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭, আর Summer সেশন শুরু সোমবার ১৪ জুন ২০২৭। এই ছকটাই ঘুরেফিরে আসে, তাই ২০২৭ সালের Fall-ও পড়বে সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে।
ক্যালেন্ডার আরেকটা জিনিস স্পষ্ট করে দেয়, যেটা সাধারণ তালিকাভিত্তিক লেখাগুলোয় বাদ পড়ে যায় — রেজিস্ট্রেশন আর ফি পরিশোধ হয় ক্লাস শুরুর কয়েক সপ্তাহ আগেই। Spring ২০২৭-এর জন্য UNIC-এর ইংরেজি পরীক্ষা, রেজিস্ট্রেশন ও ফি জমার সময় ৭ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৭, নতুন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ৫ ফেব্রুয়ারি, আর ক্লাস ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে। অর্থাৎ ওই সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই আপনাকে সাইপ্রাসে থাকতে হবে, টাকাও জমা থাকতে হবে।
| ভর্তি | ক্লাস শুরু | রেজিস্ট্রেশন | পরীক্ষা শেষ |
|---|---|---|---|
| Fall ২০২৬ | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২৪ আগস্ট – ২৫ সেপ্টেম্বর | ৩০ জানুয়ারি ২০২৭ |
| Spring ২০২৭ | ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ | ৭ জানুয়ারি – ৫ ফেব্রুয়ারি | ১২ জুন ২০২৭ |
| Summer I ২০২৭ | ১৪ জুন ২০২৭ | ২৪ মে – ১১ জুন | ৭ আগস্ট ২০২৭ |
| Summer II ২০২৭ | ১৪ জুন ২০২৭ | ২৪ মে – ১১ জুন | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৭ |
| Fall ২০২৭ | সেপ্টেম্বরের শেষে অনুমান | আগস্ট – সেপ্টেম্বর অনুমান | জানুয়ারি ২০২৮ অনুমান |
তারিখগুলো University of Nicosia-র ২০২৬–২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ক্যালেন্ডার থেকে নেওয়া। ১০ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত ২০২৭–২০২৮ ক্যালেন্ডার প্রকাশিত হয়নি, তাই Fall ২০২৭-এর সারিটি প্রকাশিত ধারা দেখে আমাদের অনুমান — সরকারি তারিখ নয়।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর কোন intake ধরা উচিত?
বেশিরভাগ বাংলাদেশি আবেদনকারীর জন্য সৎ উত্তরটা হলো Fall, আর Spring-কে ধরুন সত্যিকারের দ্বিতীয় সুযোগ হিসেবে — বাধ্য হয়ে নেওয়া বিকল্প হিসেবে নয়। Fall-এ প্রোগ্রামের পছন্দ সবচেয়ে বেশি, বৃত্তির রাউন্ডও তখন পুরোদমে চলে। Spring তুলনায় ছোট, তবে বাস্তব — HSC-র ফল দেরিতে পাওয়া কিংবা কাগজপত্রের জটিলতায় একটা সেমিস্টার হারানো শিক্ষার্থীরা পুরো এক বছর অপেক্ষা না করেই একই শিক্ষাবর্ষে ফিরতে পারেন।
Summer সেশনটা আলাদা ধাঁচের। এটি সংক্ষিপ্ত, নিবিড়, আর মূলত যাঁরা আগে থেকেই ভর্তি আছেন তাঁদের কোর্স শেষ করার জন্য। বাংলাদেশ থেকে প্রথম ভর্তি হিসেবে এটি খুব কমই যুক্তিসংগত, কারণ জুনের মাঝামাঝি ক্লাস ধরতে হলে পুরো ভিসা-প্রক্রিয়া শেষ করতে হয় বর্ষাকালের দাপ্তরিক মৌসুমের ভেতরেই।
Fall ২০২৭-এ যেতে চাইলে গুরুত্বসহকারে কাজ শুরু করুন ২০২৬ সালের অক্টোবর নাগাদ। Spring ২০২৭-এর জন্য শুরু করার কথা ছিল সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ, অর্থাৎ এখনই। আগস্ট ২০২৬-এ বসে যদি সাইপ্রাস ভাবেন, তাহলে বাস্তবসম্মত লক্ষ্য Fall ২০২৭ — আর Spring ২০২৭ কেবল তখনই সম্ভব, যদি আপনার কাগজপত্র মোটামুটি হাতে থাকে।
সাইপ্রাসে আবেদনের আসল সময়সীমা কোনটি?
European University Cyprus তাদের ভিসা-শর্তের পাতায় সরাসরিই লিখে দিয়েছে — নন-ইইউ শিক্ষার্থীদের ভিসার কাগজপত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দিতে হবে সেমিস্টার শুরুর অন্তত তিন মাস আগে। এই তারিখটাই দেয়ালে লিখে রাখার মতো। ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বরের শেষে ক্লাস শুরু হলে ফাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকতে হবে জুনের শেষ নাগাদ। ৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হলে নভেম্বরের শুরুতে।
এই তিন মাসের কারণেই সাইপ্রাস প্রথমে বেশ আরামদায়ক মনে হয়, তারপর হঠাৎ অসম্ভব হয়ে যায়। কাউন্টডাউন দেখানোর মতো কোনো জাতীয় পোর্টাল নেই, তাই কেউ সতর্কও করে না। বিশ্ববিদ্যালয় কেবল সময়মতো Civil Registry and Migration Department-এ আপনার ফাইল তুলতে পারে না, আর আপনাকে চুপচাপ পরের intake-এ সরিয়ে দেওয়া হয়।

কাগজের মেয়াদ কেন আগেই ফুরিয়ে যায়?
ফল বা ব্যাংক ব্যালান্সের চেয়ে এই জায়গাটাতেই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা বেশি intake হারান। সাইপ্রাসের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শুধু কাগজ চায় না, প্রতিটি কাগজের গায়ে একটা মেয়াদ বসিয়ে দেয় — আর মেয়াদগুলো একে অন্যের সঙ্গে মেলে না।
- পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ — জমা দেওয়ার ৬ মাসের বেশি আগে ইস্যু করা চলবে না।
- ব্যাংক লেটার — মেয়াদ ৬ মাস, আর তাতে স্পষ্ট করে সম্পর্ক উল্লেখ থাকতে হবে।
- ব্যাংক স্টেটমেন্ট — UNIC দেয় ১ মাস মেয়াদ; EUC চায় শেষ দুই মাসের লেনদেন।
- রক্ত পরীক্ষা (HIV, সিফিলিস, হেপাটাইটিস B ও C) — মেয়াদ ৪ মাস।
- যক্ষ্মার জন্য বুকের এক্স-রে — মেয়াদ ৪ মাস।
- পাসপোর্ট — যে সেমিস্টারে ভর্তি হচ্ছেন, তার শুরু থেকে অন্তত ২ বছর মেয়াদ থাকতে হবে।
একসঙ্গে পড়লেই ফাঁদটা চোখে পড়ে। এক মাস মেয়াদের একটা ব্যাংক স্টেটমেন্ট তুলতে হয়, সত্যায়িত করাতে হয়, কুরিয়ার করতে হয় এবং গ্রহণও করাতে হয় — অথচ বিশ্ববিদ্যালয় ফাইল চাইছে সেমিস্টারের তিন মাস আগে। আবার যাঁরা বুদ্ধি করে আগেভাগে মেডিকেল করিয়ে রাখেন, তাঁদের অনেকেই দেখেন বাকি ফাইল তৈরি হতে হতে চার মাসের ঘড়ি থেমে গেছে — পরীক্ষার খরচ দুবার দিতে হয়।
শুধু সরকারি হাসপাতাল। EUC বলছে, স্বাস্থ্য সনদ ইস্যু করতে হবে কেবল সরকারি হাসপাতাল থেকে। বাংলাদেশে বেশিরভাগ পরিবার অভ্যাসবশত যে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যান, সেগুলোর রিপোর্ট সরাসরি বাতিল হয়ে যেতে পারে।
স্পনসর হতে হবে বাবা-মা কিংবা আপনি নিজে। UNIC কেবল বাবা, মা অথবা শিক্ষার্থী নিজেকে স্পনসর হিসেবে মানে। চাচা, বড় ভাই কিংবা পারিবারিক বন্ধু খরচ দিচ্ছেন — বাংলাদেশে যা খুবই সাধারণ — এমন হলে আদালতের হলফনামা লাগবে, আর ব্যাংক লেটারে সম্পর্ক স্পষ্ট লেখা থাকতে হবে।
উড়াল দেওয়ার আগে খরচ কত দাঁড়ায়?
যুক্তরাজ্য বা মাল্টার তুলনায় ফি কম, তবে বেশিরভাগ খরচ শুরুতেই দিতে হয় এবং তা ফেরতযোগ্য নয়। তাই এগুলো তিন নম্বর মাসে আবিষ্কার না করে শুরু থেকেই পরিকল্পনায় রাখুন।
| খাত | পরিমাণ | কখন | সূত্র |
|---|---|---|---|
| আবেদন ফি | €৫৫ | আবেদনের সঙ্গে | সরকারি |
| স্টুডেন্ট ভিসা ফি | €১৫০ | ভিসা ফাইলের সঙ্গে | সরকারি |
| টিউশন অগ্রিম | €৩,০০০ | ভিসা ফাইল পাঠানোর আগে | সরকারি |
| যত টাকা দেখাতে হবে | €৭,০০০ | ব্যাংক লেটার ও স্টেটমেন্ট | সরকারি |
| হাতে নগদ | €২,০০০ | বিমানবন্দরে | সরকারি |
| ইমিগ্রেশন চার্জ | €১৪০ | পৌঁছানোর পর নগদে | সরকারি |
১০ আগস্ট ২০২৬-এ প্রতি ইউরো প্রায় ১৪২.৮ টাকা ধরলে, যে €৭,০০০ দেখাতে হয় তা প্রায় ১০ লাখ টাকা, আর €৩,০০০ অগ্রিম প্রায় ৪ লাখ ২৮ হাজার টাকা। বিনিময় হার প্রতিদিন ওঠানামা করে, তাই এই হিসাবকে পরিকল্পনার সহায়ক ধরুন, চূড়ান্ত দর নয়। €১৪০ ইমিগ্রেশন চার্জের ভাগ হলো €৭০ এলিয়েন সার্টিফিকেট, €৫৫ রেসিডেন্স পারমিট আর €১৫ এন্ট্রি পারমিট — EUC এটি পৌঁছানোর পর নগদে চায়।
EUC-তে ভিসার কাগজপত্র পাঠানোর আগেই ব্যাংক ট্রান্সফারে €৩,০০০ টিউশন জমা দিতে হয়। তারা স্পষ্ট বলছে, বিশ্ববিদ্যালয় ওই টাকা জমার প্রমাণ দেখাতে না পারলে সাইপ্রাসের Migration Department স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনই গ্রহণ করবে না। অর্থাৎ ভিসা হওয়ার আগেই টাকা যায়। বাংলাদেশে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের মাধ্যমে স্টুডেন্ট ফাইল খুলে টাকা পাঠাতে যে সময় লাগে, সেটিও আলাদা করে হিসাবে রাখতে হবে।
Apostille চালু হওয়ায় সত্যায়নের নিয়ম কি বদলেছে?
হ্যাঁ, বদলেছে — এবং এটি সত্যিই নতুন খবর। UNIC-এর ভিসা পাতায় বলা আছে, দেশটি ১৯৬১ সালের Hague Apostille Convention-এ সই করেছে কি না, তার ওপর সত্যায়নের পদ্ধতি নির্ভর করে। বাংলাদেশ ২৯ জুলাই ২০২৪-এ যোগদানের দলিল জমা দেয়, আর কনভেনশনটি বাংলাদেশের জন্য কার্যকর হয় ৩০ মার্চ ২০২৫ থেকে। apostille দেওয়ার দায়িত্ব পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের।
বাস্তবে এর মানে হলো, ২০২৫ সালের আগে লেখা পরামর্শ — যা এখনো অনেক এজেন্ট আর ফোরামে ঘুরে বেড়ায় — পুরোনো সত্যায়ন-শৃঙ্খলের কথা বলে। কাগজপত্র ইংরেজিতেই থাকতে হবে, আর অনুবাদ লাগলে তা অনুমোদিত অনুবাদকের কাছ থেকে করিয়ে যথাযথভাবে সত্যায়িত করাতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের তালিকা একেক সময়ে হালনাগাদ করে, তাই টাকা খরচের আগে আপনার নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় ঠিক কোন ধরনের সত্যায়ন চায় তা নিশ্চিত হয়ে নিন।
সাইপ্রাস Schengen এলাকার বাইরে। পৌঁছানোর পর নিবন্ধনের সময়সীমা ৭ দিন না ১০ দিন, সেটি নিয়েও সরকারি চেহারার নানা সূত্র ভিন্ন কথা বলে। ফি, সময়সীমা ও মেয়াদ ঘোষণা ছাড়াই বদলায়। কাজে নামার আগে এখানকার প্রতিটি তথ্য আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি দপ্তর ও Civil Registry and Migration Department থেকে যাচাই করে নিন।
সাইপ্রাসে নেমে প্রথম দিনগুলোয় কী করতে হয়?
বিমানে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে ভিসার গল্প শেষ হয় না। সাইপ্রাসে ইস্যু হওয়া এন্ট্রি পারমিট — শিক্ষার্থীরা যাকে Blue Slip বলেন — সেটিই আপনাকে বিমানবন্দর পার করায়, আর আসল রেসিডেন্স কার্ড পাওয়া যায় তার পরে।
- ফাইলটা হাতব্যাগে রাখুন। Blue Slip, টাকা জমার রসিদ, বাংলাদেশের ব্যাংক থেকে পাঠানোর রসিদ, ভর্তির চিঠি আর পাসপোর্ট।
- €২,০০০ নগদ সঙ্গে নিন। EUC এটিকে পৌঁছানোর শর্ত হিসেবেই রেখেছে; প্রবেশ Larnaca বা Paphos বিমানবন্দর দিয়ে।
- সাইপ্রাসে ব্যাংক হিসাব খুলুন এবং পৌঁছানোর পর অন্তত €২,০০০ জমা করুন।
- রেজিস্ট্রেশন ও ফি পরিশোধ শেষ করুন — এটি হয়ে গেলেই কেবল সাময়িক রেসিডেন্স পারমিট ইস্যু হয়।
- বায়োমেট্রিক দিন Civil Registry and Migration Department-এ, আর €১৪০ ইমিগ্রেশন চার্জ পরিশোধ করুন।
- স্বাস্থ্যবিমা সচল রাখুন — প্রতিবছর নিবন্ধনের সময় এটি নবায়ন করতে হয়, একবার করলেই শেষ নয়।
নিজের সময়সূচি কীভাবে সাজাবেন?
আজ থেকে সামনের দিকে নয়, ক্লাসের প্রথম দিন থেকে পেছনের দিকে হিসাব করুন। সেমিস্টার শুরুর তারিখ ঠিক করুন, তার থেকে তিন মাস বাদ দিন ভিসা ফাইলের জন্য, তারপর প্রতিটি কাগজ এমনভাবে বসান যেন ওই দিনেও সেটি বৈধ থাকে — মেডিকেল চার মাসের বেশি আগে নয়, ব্যাংক স্টেটমেন্ট যত দেরিতে সম্ভব, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ছয় মাসের ভেতরে।
Eduvisa-তে আমরা যা দেখি, শিক্ষার্থীরা যোগ্যতায় খুব কমই আটকান। তাঁরা আটকান ক্রম গুলিয়ে ফেলে — জানুয়ারিতে করা মেডিকেল দিয়ে জুনের ফাইল, অনেক আগের তারিখের ব্যাংক স্টেটমেন্ট, কিংবা স্পনসর হিসেবে চাচার নাম। কেউ যদি টাকা খরচের আগে আপনার নির্দিষ্ট তারিখগুলো একবার মিলিয়ে দেখে, এসবই সহজে সামলানো যায় — না দেখলে খরচটা অনেক বেশি পড়ে।
আরও পড়ুন: সাইপ্রাস স্টুডেন্ট ভিসা গাইড · সাইপ্রাসে থাকা-খাওয়ার বাস্তব খরচ
এখানে ব্যবহৃত সরকারি সূত্র: University of Nicosia-র শিক্ষাবর্ষ ক্যালেন্ডার এবং European University Cyprus-এর ভিসা শর্তের পাতা। কাজে লাগতে পারে সাইপ্রাসের বিশ্ববিদ্যালয় আর সাইপ্রাসের বৃত্তি নিয়ে আমাদের লেখাগুলোও।
আপনার সাইপ্রাসের তারিখগুলো এক পাতায় সাজিয়ে দিই
কোন intake ধরতে চান, সেটা নিয়ে আসুন — আমরা পেছন থেকে আপনার বাস্তব সময়সূচি এঁকে দেব। কোন কাগজ আগে তুলবেন, মেডিকেলের তারিখ কবে হওয়া উচিত, আপনার স্পনসরের ব্যবস্থা টিকবে কি না, আর ফাইল কোথায় আটকে যেতে পারে। একটা আলোচনাতেই হয়ে যায়, আর এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
ফ্রি পরামর্শ নিন →


