Germany-র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর টিউশন ফি প্রায় লাগেই না। আর তার পরেই দেশটি বলে — ভিসা দেওয়ার আগে একটি জার্মান ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রায় সতেরো লাখ টাকা জমা রাখতে হবে। Germany-র পুরো গল্পটাই এই স্ববিরোধের মধ্যে, আর অঙ্কটা গুজব নয় — এটি লেখা আছে জার্মান দূতাবাস ঢাকার নিজের চেকলিস্টে, তারিখ জুন ২০২৬। blocked account ঠিকভাবে করতে পারলে বাংলাদেশি পাসপোর্টের জন্য খোলা সবচেয়ে সস্তা ভালো গন্তব্যগুলোর একটি Germany। আর ভুল করলে ফাইল এক পা-ও এগোয় না।
জার্মান দূতাবাস ঢাকার জুন ২০২৬-এর স্টুডেন্ট ভিসা চেকলিস্ট অনুযায়ী Germany-তে আবেদনকারীর নিজের নামে একটি blocked account (Sperrkonto) থাকতে হবে, যাতে ন্যূনতম EUR ১১,৯০৪ জমা — প্রায় ৳১৬.৭ লাখ, অর্থাৎ বারো মাসের জন্য মাসে EUR ৯৯২। দূতাবাসের master's আবেদনকারীদের VFS তথ্যপত্রেও একই অঙ্ক আছে।
Germany আসলে কত টাকা দেখাতে বলে?
EUR ১১,৯০৪ — শিক্ষার্থীর নিজের নামে Germany-র একটি blocked account-এ। জার্মান দূতাবাস ঢাকার জুন ২০২৬-এর স্টুডেন্ট ভিসা চেকলিস্টে এক লাইনেই লেখা: আবেদনকারীর নামে Germany-তে "Sperrkonto", যাতে ন্যূনতম ১১,৯০৪ ইউরো থাকতে হবে। দূতাবাসের master's আবেদনকারীদের জন্য আলাদা VFS তথ্যপত্র — সেটিও জুন ২০২৬-এর — একই অঙ্ক বহন করে। অর্থাৎ পদ্ধতির প্রশ্নে দুটি কাগজে পার্থক্য থাকলেও টাকার প্রশ্নে তারা একমত।
অঙ্কটা এল কোথা থেকে? বারো মাস × EUR ৯৯২ — Germany যে মাসিক হারকে একজন শিক্ষার্থীর চলার মানদণ্ড ধরে। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ Wise-এর mid-market রেট EUR ১ = ১৪০.১০ টাকা ধরে হিসাবটা এমন। টাকার ঘর আমাদের, Germany-র নয়:
| খাত | Euro | টাকা (প্রায়) |
|---|---|---|
| ন্যূনতম জমা | EUR ১১,৯০৪ | ৳১৬,৬৭,৭০০ |
| মাসে যা তোলা যায় | EUR ৯৯২ | ৳১,৩৮,৯৮০ |
| পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন | শুধু সেমিস্টার চাঁদা | রাজ্য অনুযায়ী ভিন্ন |
| ট্রাভেল হেলথ ইনস্যুরেন্স, ন্যূনতম ৩ মাস | প্রতিষ্ঠান অনুযায়ী | প্রকাশিত নয় |
টাকা পাঠানোর আগে যাচাই করুন: blocked account-এর অঙ্ক কেন্দ্রীয়ভাবে ঠিক হয় আর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিকবার বেড়েছে। এখানের EUR ১১,৯০৪ অঙ্কটি জার্মান দূতাবাস ঢাকার জুন ২০২৬-এর কাগজ থেকে পড়া হয়েছে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ। অ্যাকাউন্ট খোলার আগে dhaka.diplo.de-তে চলতি চেকলিস্ট দেখে নিন — কারণ কম টাকার অ্যাকাউন্ট মানে আরও টাকা চাওয়া নয়, সোজা প্রত্যাখ্যান।
Blocked account কী, আর বাংলাদেশ থেকে কে খুলতে পারেন?
Sperrkonto হলো Germany-র এমন একটি অ্যাকাউন্ট, যা আপনার জীবনযাত্রার খরচ ধরে রাখে আর এককালীন নয়, মাসে মাসে ছাড়ে। এটাই এর উদ্দেশ্য: Germany দেখতে চায় আপনি প্রথম বছরের প্রতিটি মাস চালাতে পারবেন, প্রথম সপ্তাহ নয়। জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিজের নির্দেশিকা এ নিয়ে দুটো কথা নিশ্চিত করে — প্রতি মাসে নির্দিষ্ট অঙ্কের বেশি তোলা যায় না, আর কোন প্রতিষ্ঠানে অ্যাকাউন্ট খুলবেন সে স্বাধীনতা আপনার। তারা কোনো ব্যাংকের নাম দেয় না, সুপারিশও করে না।
Germany কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম বলে না, তাই বাংলাদেশের বাজার ভরে গেছে মধ্যস্বত্বভোগীতে — যারা প্রতিষ্ঠানের নিজের ফির ওপর বাড়তি টাকা নিয়ে blocked account "ব্যবস্থা করে দেন"। অ্যাকাউন্ট আর তার খোলার ফি — দুটোই আসে প্রতিষ্ঠান থেকে। প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত ফি আর মাসিক ছাড়ের নিয়ম সরাসরি মিলিয়ে দেখুন। যে এজেন্ট প্রতিষ্ঠানের নিজের ফির পাতাটা দেখাতে পারেন না, তিনি সেবা দিচ্ছেন না — একটা স্তর বসাচ্ছেন।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থী আবেদন জমা দেন কোথায় — দূতাবাসে না VFS-এ?
এই জায়গাতেই দূতাবাসের নিজের কাগজগুলো দুই দিকে টানে, আর কিছু বুক করার আগে এটা জেনে রাখা দরকার।
জুন ২০২৬-এর চেকলিস্ট বলছে, আবেদন কেবল জার্মান দূতাবাস ঢাকাতেই জমা দেওয়া যাবে। কিন্তু দূতাবাসের স্টুডেন্ট ভিসা FAQ বলছে আরও নির্দিষ্ট এবং আরও সাম্প্রতিক কথা: "Master student visa application are taken in by VFS since 02.01.2025." আর VFS তথ্যপত্রটি নিজেই দূতাবাসের প্রকাশিত কাগজ, যেখানে আবেদনকারী নিশ্চিত করেন তিনি চান আবেদনটি জার্মান দূতাবাস ঢাকায় পাঠানো হোক — সঙ্গে সরাসরি স্বীকারোক্তি, ভিসার সিদ্ধান্তে VFS Global-এর কোনো প্রভাব নেই।
| প্রশ্ন | দূতাবাস যা প্রকাশ করে | নিশ্চিত? |
|---|---|---|
| Master's জমা নেয় কে | VFS, ০২.০১.২০২৫ থেকে | উল্লেখিত |
| স্নাতকের জমা নেয় কে | FAQ-তে বলা নেই | না |
| সিদ্ধান্ত নেয় কে | সব ক্ষেত্রেই দূতাবাস | উল্লেখিত |
| অ্যাপয়েন্টমেন্ট | অনলাইনে, সব ধরনের পড়াশোনার জন্য বাধ্যতামূলক | উল্লেখিত |
| ভিসা ফির অঙ্ক | "টাকায় দিতে হবে", অঙ্ক ছাপা নেই | না |
নিরাপদ পড়াটা এই: সবাই অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেন, master's আবেদনকারীরা যান VFS-এ, আর সিদ্ধান্ত নেয় দূতাবাস। আপনি স্নাতকে আবেদন করলে ধরে নেবেন না যে কোনো একটি কাগজ আপনাকে কভার করছে — দূতাবাস থেকে জেনে নিন। আমরা বিষয়টা ঢেকে না দিয়ে সামনে আনছি, কারণ একটামাত্র অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে ভুল কাউন্টারে হাজির হওয়া বাস্তব ক্ষতি — আর তা এড়ানো যায়।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর কি APS সার্টিফিকেট লাগে?
না — আর দূতাবাসের FAQ-তে এটাই সবচেয়ে কাজের তথ্যগুলোর একটি, কারণ অসংখ্য বাংলাদেশি আবেদনকারীকে উল্টোটা বলা হয়েছে। জার্মান দূতাবাস ঢাকার উত্তর সোজা: তারা কোনো APS অফিস ব্যবহার করে না, আর আপনি অন্য কোনো দেশের অফিসের মাধ্যমে আবেদন করবেন না।
বিভ্রান্তিটা বোধগম্য। Germany কয়েকটি দেশের জন্য APS একাডেমিক যাচাই অফিস চালায় — যেমন India আর চীন — আর বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা ভারতীয় গাইড পড়ে বা ভারতীয় পরামর্শকের কথা শুনে শর্তটা তুলে নেন। এখানে সেটা প্রযোজ্য নয়। বাংলাদেশ থেকে জার্মান স্টুডেন্ট ভিসার জন্য কারও আপনাকে APS সার্টিফিকেট বেচার কথা নয়, আর অন্য দেশের APS অফিসে পাঠানোরও কথা নয়।
APS সার্টিফিকেট লাগে না। আর তৃতীয় দেশ থেকে আবেদনও নয় — আপনি আবেদন করবেন বাংলাদেশেই, পাশের কোনো মিশনের মাধ্যমে নয়। এই দুটোই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে নিয়মিত বিক্রি হয়। dhaka.diplo.de-তে দুটোরই উত্তর — "না"।
কত সময় লাগে, আর কখন আবেদন করা উচিত?
চেকলিস্ট একটা তলা বেঁধে দেয়: ভিসা প্রসেস হতে ন্যূনতম প্রায় ৪ সপ্তাহ। FAQ অনেক কম আরামদায়ক, আর অনেক বেশি সৎ — দূতাবাস বলছে তারা এই মুহূর্তে অপেক্ষার সময় নিয়ে নির্দিষ্ট কিছু জানাতে পারছে না, কারণ আবেদনকারীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় হিসাব করা অসম্ভব।
আর তার পরেই তারা সেই কথাটা লেখে, যা প্রতিটি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর দু'বার পড়া দরকার: ভর্তি বা পরীক্ষার তারিখ বিবেচনায় নেওয়া হয় না। আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখ দূতাবাসের সমস্যা নয়। তিন সপ্তাহ পরে ক্লাস শুরু বলে লাইন টপকানোর সুযোগ নেই।
প্রতি সেশনে আমরা একই ধারা দেখি। জুনে ভর্তির চিঠি আসে, পরিবারে আনন্দ হয়, জুলাইয়ে blocked account খোলা হয়, আগস্টে অ্যাপয়েন্টমেন্ট খোঁজা শুরু হয়, আর অক্টোবরে সেমিস্টার শুরু হয় — ভিসা তখনো ঝুলে। ৪ সপ্তাহ ন্যূনতম, আসল অপেক্ষা অপ্রকাশিত, আর সময়সীমার কোনো ওজন নেই। ভর্তির চিঠি আসার সপ্তাহেই blocked account খুলুন আর অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য নাম লিখুন।
বাংলাদেশি apostille কি Germany-তে চলে?
না। জার্মান রুটে এটাই সবচেয়ে দামি ভুল, আর এ নিয়ে নির্দিষ্ট হওয়া দরকার।
বাংলাদেশ ১৯৬১ সালের Hague Apostille Convention-এ যোগ দিয়েছে ৩০ মার্চ ২০২৫ থেকে, আর বেশিরভাগ গন্তব্যের জন্য সেটি মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন ও দূতাবাসের legalisation-এর পুরনো শিকলের বদলে একটিমাত্র apostille এনে দিয়েছে। কিন্তু যোগদানে আপত্তি জানানো যায়, আর বাংলাদেশের যোগদানে আপত্তি জানিয়েছে বারোটি দেশ। এদের প্রথমটিই Germany, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ। যে দেশ আপত্তি জানিয়েছে, তার সঙ্গে বাংলাদেশের মধ্যে কনভেনশনটি কার্যকর হয় না — অর্থাৎ Germany-র জন্য বাংলাদেশি apostille স্বীকৃত পথ নয়, স্থানীয় যত অফিসই আপনাকে সেটি বেচতে রাজি থাকুক।
ব্যবহারিক মানে হলো, Germany-র উদ্দেশে যাওয়া বাংলাদেশি কাগজ চলবে জার্মান মিশন যে যাচাই বা legalisation-এর পথ বলে দেয় সেটিতেই, apostille-এর শর্টকাটে নয়। কাউকে এক টাকা ফি দেওয়ার আগে চলতি পথটা দূতাবাস থেকে নিশ্চিত করুন।
Germany-র ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখসহ আপত্তির তালিকাটি HCCH notifications register থেকে পড়া হয়েছে ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ। Germany নিজে এই কনভেনশনের পক্ষভুক্ত ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬ থেকে — তার আপত্তি নির্দিষ্টভাবে বাংলাদেশের যোগদানে, সাধারণ অবস্থান নয়। পদক্ষেপ নেওয়ার আগে register আরেকবার দেখুন, আর "Germany-তে এখন apostille চলে" — এমন মুখের আশ্বাস কখনো মানবেন না।
দূতাবাসের চেকলিস্টে আর কী কী আছে?
জুন ২০২৬-এর তালিকায় পনেরোটি আইটেম, আর ভাষা অসাধারণ স্পষ্ট। বাংলাদেশি আবেদনকারীর জন্য উল্লেখযোগ্যগুলো:
- গত দশ বছরের মধ্যে ইস্যু করা পাসপোর্ট, অন্তত দুটি খালি পাতা, আর ডেটা পাতায় কোনো observation না থাকা
- বায়োমেট্রিক মানের একটি ছবি, ছয় মাসের বেশি পুরনো নয়
- যথাযথভাবে স্বাক্ষরিত আবেদন ফর্ম ও declaration
- বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠানের ভর্তির প্রমাণ; প্রযোজ্য হলে স্কলারশিপ বা PhD-র চিঠি
- English-এ পড়ানো প্রোগ্রামে TOEFL বা IELTS — যদি আপনার স্নাতক Australia, UK বা US-এ না হয়ে থাকে
- German ভাষার প্রোগ্রামে "Zertifikat B1", 'good' ফলাফল বা তার ওপরে সুপারিশ করা হয়
- HSC বোর্ড সার্টিফিকেট ও মার্কশিট, আর সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আগের ডিগ্রির ট্রান্সক্রিপ্ট
- Letter of motivation আর চাকরির অভিজ্ঞতাসহ CV, সম্ভব হলে রেফারেন্স
- Germany-তে পৌঁছানো থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পর্যন্ত বৈধ ট্রাভেল হেলথ ইনস্যুরেন্স — ন্যূনতম তিন মাস
- পড়ার সময়ের খরচ বহনের আর্থিক প্রমাণ, অর্থাৎ blocked account
- ভিসা ফি, টাকায় পরিশোধযোগ্য
এর ভেতরে দুটো খুঁটিনাটি চুপচাপ অনেক কিছু ঠিক করে দেয়। পাসপোর্টের নিয়ম ডেটা পাতায় observation থাকা পাসপোর্ট বাতিল করে দেয় — নাম বা জন্মতারিখ সংশোধনের পর পুনরায় ইস্যু হওয়া বাংলাদেশি পাসপোর্টে এটা পরিচিত সমস্যা। আর ইনস্যুরেন্সকে ঢাকতে হবে পৌঁছানো আর ভর্তি হওয়ার মাঝের ফাঁকটা — যে সময়টার কথা বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ভুলেই যান।
প্রথমে কী করবেন?
Blocked account কী কী সমাধান করে না?
এটি প্রমাণ করে আপনি Germany-তে চলতে পারবেন; প্রমাণ করে না যে আপনাকে ভর্তি নেওয়া উচিত, আর সময়ও কিনে দেয় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টার চাঁদা, বিমানভাড়া, Berlin বা Munich-এর সত্যিই টানটান বাসার বাজারে প্রথম মাসের জামানত, কিংবা পৌঁছে যে residence permit-এর আবেদন করতে হয় — কোনোটাই এতে নেই। আর অ্যাপয়েন্টমেন্টের লাইনও এতে ছোট হয় না।
Eduvisa-তে আমরা যা দেখি
Germany নিয়ে যে পরিবারগুলো ভোগে, তারা সাধারণত টাকা জোগাড় করতে না পারা পরিবার নয়। তারা সেই পরিবার, যারা টাকাটা জোগাড় করে ভুল মাসে। অক্টোবরে শুরু হওয়া সেমিস্টারের জন্য সেপ্টেম্বরে গোছানো সতেরো লাখ টাকা, আর সামনে এমন এক অ্যাপয়েন্টমেন্টের অপেক্ষা যার হিসাব কেউ দিতে পারে না — এভাবেই সম্পূর্ণ সাধ্যের মধ্যের একটা গন্তব্য অসম্ভব হয়ে যায়। জার্মান রুটে টাকা দিয়ে যে কাজটা করানোর মূল্য আছে, তা কাগজ নয় — ক্রম: ভর্তির চিঠি আসার দিন থেকে কোন সপ্তাহে কী হবে।
এই গাইডের অফিশিয়াল সূত্র: জার্মান দূতাবাস ঢাকার স্টুডেন্ট ভিসা তথ্য ও জুন ২০২৬ চেকলিস্ট, এবং HCCH Apostille Convention status table।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ থেকে Germany-র স্টুডেন্ট ভিসা · বাংলাদেশ থেকে কম খরচে বিদেশে পড়াশোনা
এই লেখাটি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ব্লগ-গবেষণা। Eduvisa এই মুহূর্তে Germany-র আবেদন প্রসেস করে — এমন কোনো প্রতিশ্রুতি এটি নয়। জিজ্ঞেস করলে আমরা স্পষ্ট করেই বলব কোনটা আমরা করি আর কোনটা করি না।
ভর্তির চিঠি পেয়েছেন? পরের চার সপ্তাহই সেমিস্টার ঠিক করে দেবে।
চিঠিটা নিয়ে আসুন — আমরা আপনার সঙ্গে বসে ক্রমটা পিছন থেকে সাজাব: পাসপোর্ট যাচাই, blocked account, অ্যাপয়েন্টমেন্ট, আর বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আসলে যে কাগজ-যাচাইয়ের পথ প্রযোজ্য। সোজা উত্তর — এমনকি উত্তরটা যখন "এই সেশন বাস্তবসম্মত নয়"।
ফ্রি কনসালটেশন বুক করুন →
