Greece-এর স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি যে কথাটা শোনা যায়, সেটা হলো—"দিল্লি যেতেই হবে"। ঢাকার আধা ডজন কনসালটেন্সির ওয়েবসাইটে কথাটা লেখাও আছে। অথচ কথাটা ঠিক নয়। আর এই ভুল ধারণার ওপর ভরসা করলে পুরো একটা intake হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।
এই লেখায় বাংলাদেশ থেকে Greece স্টুডেন্ট ভিসা ২০২৭-এর পুরো ছবিটা আছে—আবেদন আসলে কোথায় জমা দেবেন, টাকার অঙ্কে খরচ কত, ব্যাংকে কত দেখাতে হবে, আর ২০২৫ সালে বদলে যাওয়া যে ডকুমেন্ট-নিয়মটা বাংলাদেশের বাজারে এখনো প্রায় কেউ হালনাগাদ করেনি।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা Greece-এর স্টুডেন্ট ভিসা (National "D") আবেদন করেন ঢাকার Global Visa Center World অফিসে—নয়াদিল্লিতে নয়। ফাইলটি কুরিয়ারে যায় নয়াদিল্লির Greek Embassy-তে, সিদ্ধান্তও নেয় তারাই। খরচ €৯০ ভিসা ফি, €৩০ সার্ভিস ফি আর ৳১০,২০০ কুরিয়ার। সেই সঙ্গে পড়ার প্রতি মাসের জন্য অন্তত €৪০০ এবং টিউশনের এক-তৃতীয়াংশ পরিশোধের প্রমাণ দেখাতে হয়।
Greece-এর স্টুডেন্ট ভিসার জন্য কি সত্যিই নয়াদিল্লি যেতে হয়?
না। বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত Greek ভিসা সেন্টারের নিজস্ব ওয়েবসাইটে পরিষ্কার লেখা আছে—বাংলাদেশি সব আবেদনকারীকে Long Stay "D" ভিসার আবেদন কেবল ঢাকার GVCW ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারেই জমা দিতে হবে। বায়োমেট্রিক, অর্থাৎ দশ আঙুলের ছাপ আর ডিজিটাল ছবি—সেটাও নেওয়া হয় ওই সেন্টারেই।
তবে একটা কথা সত্যি: ঢাকায় কেউ আপনার ফাইলের সিদ্ধান্ত নেয় না। বাংলাদেশে Greece-এর ভিসা দেওয়ার মতো কোনো দূতাবাস নেই। আপনার কাগজের ফাইলটা কুরিয়ারে সীমান্ত পেরিয়ে যায় নয়াদিল্লির Greek Embassy-তে। তারা ফাইল দেখে, দরকার হলে ইন্টারভিউয়ে ডাকে, তারপর ভিসা দেয় বা নাকচ করে। এরপর পাসপোর্ট আবার ঢাকায় ফেরে। এই যাওয়া-আসার জন্যই সেন্টার বলে দেয়, প্রকাশিত প্রসেসিং সময়ের সঙ্গে অন্তত সাত কর্মদিবস বাড়িয়ে হিসাব করতে।
তাহলে ভাগটা এ রকম—জমা আর বায়োমেট্রিক বাংলাদেশে, সিদ্ধান্ত ভারতে। পার্থক্যটা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে আপনার পরিকল্পনাই বদলে যায়। ভারতীয় ভিসা আর দিল্লির ফ্লাইটের বাজেট আপনার লাগছে না; লাগছে একটা কুরিয়ার ফি আর একটু লম্বা ক্যালেন্ডার।
ধাপ ১ — ঢাকার GVCW ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে জমা ও বায়োমেট্রিক।
ধাপ ২ — GVCW ফাইল কুরিয়ার করে নয়াদিল্লির Greek Embassy-তে পাঠায় (এটাই ৳১০,২০০ ক্রস-বর্ডার ডেলিভারি ফি)।
ধাপ ৩ — নয়াদিল্লি ফাইল যাচাই করে, ইন্টারভিউ ডাকতে পারে, মেডিকেল পরীক্ষার নির্দেশ দিতে পারে।
ধাপ ৪ — পাসপোর্ট কুরিয়ারে ঢাকায় ফিরে আসে, সেখান থেকে সংগ্রহ।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর জন্য Greece স্টুডেন্ট ভিসার খরচ আসলে কত?
প্রতিযোগী ওয়েবসাইটগুলো যা বলে তার চেয়ে বেশি, কারণ তিনটা আলাদা চার্জ একটার ওপর আরেকটা বসে। ভিসা ফি এর মধ্যে কেবল প্রথমটা।
| খরচ | পরিমাণ | টাকায় | ফেরতযোগ্য? |
|---|---|---|---|
| স্টাডি "D" ভিসা ফি | €৯০ | ≈ ৳১২,৭৮০ | না |
| GVCW সার্ভিস ফি | €৩০ | ≈ ৳৪,২৬০ | না |
| ক্রস-বর্ডার কুরিয়ার | নির্দিষ্ট | ৳১০,২০০ | না |
| ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স (১ বছর) | ভিন্ন | ভিন্ন | নির্ভরশীল |
| মেডিকেল পরীক্ষা | ভিন্ন | ভিন্ন | না |
| মূল মোট | €১২০ + ফি | ≈ ৳২৭,২৪০ | না |
দুটো বিষয় মাথায় রাখুন। €৩০ সার্ভিস ফি প্রতিদিন European Central Bank-এর ইউরো-টাকা রেট ধরে নতুন করে হিসাব হয়, তাই ফোনে যে অঙ্ক শুনবেন কাউন্টারে সেটা মিলবে না। আর ৳১০,২০০ কুরিয়ার ফি জমা দেওয়ার দিন নগদে দিতে হয়। টাকাটা হাতে নিয়ে যাবেন।
দেওয়ার আগে যাচাই করে নিন। ওপরের টাকার হিসাব ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ প্রতি ইউরো প্রায় ৳১৪২ ধরে করা আমাদের নিজস্ব অনুমান, কোনো সরকারি অঙ্ক নয়। ভিসা ও সার্ভিস ফি ইউরোতে নির্ধারিত এবং সেন্টার বলছে আগাম নোটিশ ছাড়াই তা বদলাতে পারে। অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিন সেন্টার থেকে সঠিক অঙ্ক জেনে নেবেন।
Greece স্টুডেন্ট ভিসার জন্য ব্যাংকে কত টাকা দেখাতে হয়?
শর্তটা থোক অঙ্কে নয়, মাসিক হিসাবে বলা—পড়াশোনার সময়কালে জীবনযাত্রার খরচ চালানোর প্রমাণ, মাসে অন্তত €৪০০-এর সমপরিমাণ। চার বছরের স্নাতকের ক্ষেত্রে দূতাবাস এই বাক্যটা কীভাবে পড়ে তার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে। এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর ব্লগ থেকে নয়, আপনার নিজের ফাইল দেখে দেওয়াই নিরাপদ।
আক্ষরিক অর্থে ধরলে মাসে €৪০০ মানে প্রায় ৳৫৬,৮০০, অর্থাৎ বারো মাসের জন্য প্রায় ৳৬.৮ লাখ। ইউরোপের মানদণ্ডে এটা সত্যিই কম—Italy বা Czech Republic-এর যে অঙ্কগুলো বাংলাদেশি পরিবারগুলো শুনে অভ্যস্ত, তার চেয়েও কম।
এর বাইরে আরেকটি শর্ত অনেককে বিপদে ফেলে: স্টাডি চেকলিস্টে টিউশন ফির অন্তত এক-তৃতীয়াংশ পরিশোধের প্রমাণ চাওয়া হয়, ভিসার সিদ্ধান্ত হওয়ার আগেই। অর্থাৎ বছরে €৬,০০০ টিউশনের প্রোগ্রাম হলে ভিসা পাবেন কি না জানার আগেই প্রায় €২,০০০ অ্যাকাউন্ট থেকে চলে যাচ্ছে। একে নিছক আনুষ্ঠানিকতা নয়, বাস্তব ঝুঁকি হিসেবেই ধরুন।
বাংলাদেশের অ্যাপোস্টিল কি Greece-এ কাজ করে?
না। আর এই গাইডের সবচেয়ে জরুরি তথ্য এটাই।
বাংলাদেশ ১৯৬১ সালের Hague Apostille Convention-এ যোগ দেয় ২৯ জুলাই ২০২৪, কার্যকর হয় ৩০ মার্চ ২০২৫। তবে ওই কনভেনশনের ১২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পুরনো সদস্য দেশ নতুন সদস্যের যোগদানে আপত্তি জানাতে পারে—আর বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বারোটি দেশ আপত্তি জানিয়েছে। Greece আপত্তি জানায় ২১ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে। Hellenic Republic-এর সেই নোট HCCH-এর স্ট্যাটাস টেবিলে হুবহু প্রকাশিত আছে।
এর আইনি ফল হলো, কনভেনশনটি বাংলাদেশ ও Greece-এর মধ্যে কখনো কার্যকরই হয়নি। বাংলাদেশি অ্যাপোস্টিল স্টিকারের Greek কর্তৃপক্ষের কাছে কোনো মূল্য নেই। বদলে দরকার পুরনো ও ধীর কনস্যুলার লিগ্যালাইজেশন—ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন, তারপর সংশ্লিষ্ট Greek মিশনের লিগ্যালাইজেশন।
Greek ভিসা সেন্টারের বাংলাদেশ স্টাডি চেকলিস্টে লেখা আছে, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট হতে হবে "recent original with Apostille"—আর দুই লাইন পরেই লেখা, সেটি "duly attested by the Ministry of Foreign Affairs of Bangladesh, Dhaka" হতে হবে। এ দুটি সম্পূর্ণ আলাদা ব্যবস্থা। পাতাটির নিজস্ব মেটাডেটা বলছে, শেষ সম্পাদনা হয়েছে জুন ২০২৩-এ—বাংলাদেশ কনভেনশনে যোগ দেওয়ার আগে, এবং Greece আপত্তি জানানোর দেড় বছর আগে। তাই অ্যাপোস্টিলের কথাটাকে পুরনো ধরে নিন।
অনিশ্চিত—কাজ করার আগে নিশ্চিত হোন। প্রকাশিত চেকলিস্ট যেহেতু নিজেই স্ববিরোধী, তাই ২০২৭ সালে নয়াদিল্লি দূতাবাস ঠিক কোন সিল গ্রহণ করবে সেটা কোনো সৎ গাইডই নিশ্চিত করে বলতে পারে না। আপনার ফাইলের জন্য লিখিতভাবে শর্তটি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো পথেই টাকা খরচ করবেন না। এ ধরনের বিষয় কেস ধরে ধরে যাচাই করতে হয়।
বাংলাদেশ থেকে Greek পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবেন কীভাবে?
আলাদা আলাদা বিশ্ববিদ্যালয়ে চিঠি লিখে নয়, Greek শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি জাতীয় কোটার মাধ্যমে। Greek পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অ-Greek বিদেশি নাগরিকদের ভর্তি করে একটি কেন্দ্রীয় অনলাইন আবেদনের মাধ্যমে—μηχανογραφικό, অর্থাৎ অ-Greek বংশোদ্ভূত বিদেশিদের জন্য কম্পিউটারাইজড ফরম। আবেদন করতে কোনো ফি লাগে না।
Greek সরকারের নিজস্ব সেবা-নিবন্ধনে পুরো প্রক্রিয়াটি বর্ণনা করা আছে, আর তাতে এমন তিনটি বিষয় আছে যা বাংলাদেশি পরিবারগুলো আগে থেকে প্রায় কখনোই জানতে পারে না।
যোগ্যতার একটি শর্ত অনেককে অবাক করে: এই কোটা ব্যবহার করতে হলে আপনি বা আপনার বাবা-মা কেউই Greek বংশোদ্ভূত হতে পারবেন না, এবং মাধ্যমিকের শেষ অন্তত দুই বছর বিদেশে পূর্ণকালীনভাবে পড়া থাকতে হবে। বাংলাদেশে HSC শেষ করা শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে সাধারণত দুটো শর্তই পূরণ হয়ে যায়।
Greece কি সত্যিই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর সাধ্যের মধ্যে?
সৎ উত্তর—Greek ভাষায় পড়তে রাজি থাকলে হ্যাঁ, English লাগলে অতটা নয়।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে Greek ভাষায় পড়ানো ডিগ্রির খরচ সত্যিই কম; Greece-এর সুনামটাই সেখানে। তবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে English-এ পড়ানো স্নাতক প্রোগ্রামের সংখ্যা খুবই সীমিত। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় সংস্থা Study in Greece পোর্টাল তাদের নিজেদের তালিকায় মাত্র নয়টি আন্তর্জাতিক স্নাতক প্রোগ্রাম দেখায়, আর এর মধ্যে চারটিই মেডিসিন। বাকিগুলো প্রত্নতত্ত্ব, অর্থনীতি ও টেকসই উন্নয়ন, অ্যাকাউন্টিং ও ফাইন্যান্স, ফলিত দর্শন এবং সৃজনশীল লেখা।
| পথ | ভাষা | বিকল্প | খরচ |
|---|---|---|---|
| পাবলিক, Greek ভাষায় | Greek | অনেক | সবচেয়ে কম |
| পাবলিক, English স্নাতক | English | খুব কম | মাঝারি-বেশি |
| English-এ মেডিসিন | English | কয়েকটি | সবচেয়ে বেশি |
| English-এ স্নাতকোত্তর | English | অনেক | মাঝারি |
English-এ পড়ানো প্রোগ্রামের প্রকাশিত ফি বিভিন্ন সূত্রে বেশ আলাদা—নিচের দিকে বছরে প্রায় €১,৫০০ থেকে মেডিসিনের ক্ষেত্রে €১৫,০০০ পর্যন্ত—কোনো একটি অঙ্ক পুরো বাজারকে বোঝায় না। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য Greece আসলে প্রতিযোগিতামূলক স্নাতকোত্তর পর্যায়ে: সেখানে English প্রোগ্রামের সংখ্যা অনেক বেশি এবং ফিও তুলনামূলক সহনীয়।
টিউশনের অঙ্ক নির্দেশক মাত্র। ফি নির্ধারিত হয় প্রোগ্রাম ধরে ধরে এবং প্রতি বছর বদলায়। আর্থিক পরিকল্পনা করার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজের ভর্তি-পাতা থেকে ২০২৭ সালের সঠিক অঙ্কটি মিলিয়ে নিন—আর মনে রাখুন, এর এক-তৃতীয়াংশ ভিসার সিদ্ধান্তের আগেই দিতে হতে পারে।
Greece-এ পার্ট-টাইম কাজ আর পড়া শেষে থাকার সুযোগ আছে কি?
দুটোই আছে, তবে শর্তসাপেক্ষে। Greece-এর Migration Code—Law 5038/2023, কার্যকর ১ জানুয়ারি ২০২৪ থেকে—স্টাডি রেসিডেন্স পারমিটধারীদের আইনে নির্ধারিত শর্তে কেবল পার্ট-টাইম কাজের অনুমতি দেয়, আর সাম্প্রতিক সংশোধনীতে কিছু শিক্ষার্থী শ্রেণির জন্য সপ্তাহে বিশ ঘণ্টার সীমার কথা এসেছে।
বড় পরিবর্তনটা অন্য প্রান্তে। একই আইনের ১১৯ অনুচ্ছেদ প্রথমবারের মতো পড়া-পরবর্তী একটি পথ তৈরি করেছে। স্টাডি রেসিডেন্স পারমিটধারী স্নাতক এখন এক বছরের রেসিডেন্স পারমিটের জন্য আবেদন করতে পারেন, নিজের সম্পন্ন করা পড়াশোনার স্তরের সঙ্গে মানানসই চাকরি খুঁজতে বা ব্যবসা শুরু করতে। আবেদন করতে হয় স্টাডি পারমিটের মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত ত্রিশ দিন আগে, আর তিন মাস পর কর্তৃপক্ষকে দেখাতে হয় যে চাকরি বা ব্যবসার বাস্তব সম্ভাবনা সত্যিই আছে।
একটা বাস্তব বিষয় অনেকে গুলিয়ে ফেলেন: আপনার national "D" ভিসা কেবল প্রবেশের কাগজ। Greek নিয়ম অনুযায়ী দেশে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই রেসিডেন্স পারমিটের আবেদন করতে হয়। Athens-এ নামা মানে কাগজপত্রের শেষ নয়—দ্বিতীয় ভাগের শুরু।
২০২৭ intake-এর জন্য সময়সূচি কেমন হওয়া উচিত?
Greek শিক্ষাবর্ষ শুরু হয় হেমন্তে, আর মন্ত্রণালয়ের কোটা, লিগ্যালাইজেশনের ধাপ এবং নয়াদিল্লির কুরিয়ার-চক্র—তিনটাতেই সত্যিকারের সময় লাগে। তাই পেছন থেকে হিসাব করাই একমাত্র সুস্থ পরিকল্পনা।
- মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল ফাইন্ডারে প্রোগ্রাম বেছে নিন, পড়ানোর ভাষা ও ফি মিলিয়ে দেখুন।
- ডকুমেন্ট লিগ্যালাইজেশন আগেভাগে শুরু করুন—কনস্যুলার পথ অ্যাপোস্টিলের চেয়ে ধীর, আর Greece অ্যাপোস্টিল নেবে না।
- HSC-এর গ্রেড কনভার্শন সার্টিফিকেট আর সরকারি Greek অনুবাদ করিয়ে নিন।
- মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত আবেদনের সময়সীমার দিকে নজর রাখুন এবং অনলাইন ফরম জমা দিন।
- সই করা প্রিন্ট আর কাগজপত্র নির্ধারিত সময়ের মধ্যে Athens-এ কুরিয়ার করুন।
- ভর্তি হলে বিশ্ববিদ্যালয়কে দিয়ে Greek কনস্যুলার সেকশনে সরাসরি যোগাযোগ করান—চেকলিস্টে স্পষ্টভাবেই এটি চাওয়া আছে।
- টিউশনের অন্তত এক-তৃতীয়াংশ পরিশোধ করে রসিদ সংরক্ষণ করুন।
- পাসপোর্টের মেয়াদ আঠারো মাসের কম থাকলে নতুন করে নিন—নইলে D ভিসার ফাইলই জমা নেওয়া হবে না।
- তিন মাসের বেশি পুরনো নয় এমন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট নিন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সত্যায়িত।
- প্রথম বছরের জন্য ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স করান।
- ঢাকায় GVCW অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন এবং কুরিয়ার ফি নগদে সঙ্গে রাখুন।
- ইন্টারভিউয়ের পরের মেডিকেল পরীক্ষা আর পাসপোর্টের দিল্লি যাওয়া-আসার সময়টুকু হিসাবে রাখুন।
আমাদের কাউন্সেলিংয়ে বারবার একই ছবি আসে—শিক্ষার্থী শুনে এসেছেন দেশটা "সহজ", তারপর এমন একটা ধাপে আটকে যান যেটার কথা কেউ বলেনি। কখনো স্থানীয় ভাষায় অনুবাদের শর্ত, কখনো চুপচাপ বদলে যাওয়া ডকুমেন্টের নিয়ম, কখনো নগদে দিতে হওয়া একটা ফি। Greece-এ এমন ধাপ কয়েকটাই আছে। এর কোনোটাই Greece বাদ দেওয়ার কারণ নয়; সবগুলোই বরং কারণ—টাকা খরচ করার আগে ফাইলটা ঠিক ক্রমে সাজিয়ে নেওয়ার, ২০২১ সালের চেকলিস্ট নয়, আজকের নিয়ম ধরে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ থেকে Estonia স্টুডেন্ট ভিসা ২০২৭—আরেকটি দেশ যারা বাংলাদেশি অ্যাপোস্টিলে আপত্তি জানিয়েছে—এবং বাংলাদেশ থেকে Bulgaria স্টুডেন্ট ভিসা ২০২৭, Greece-এর উত্তরের প্রতিবেশী, যেখানে নিয়ম চলে ঠিক উল্টো পথে।
এই লেখায় ব্যবহৃত অফিশিয়াল সূত্র: বাংলাদেশের জন্য Greek ভিসা সেন্টার (GVCW) এবং Greek সরকারি সেবা-নিবন্ধন, সর্বশেষ হালনাগাদ ৩১ জুলাই ২০২৬।
একটি কথা: এই গাইডটি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ব্লগ গবেষণা, Eduvisa এখন Greece-এর আবেদন প্রসেস করে এমন ঘোষণা নয়। আমাদের বর্তমান সেবার দেশগুলো Malta, Italy, UK, Malaysia ও Cyprus।
Greece আপনার প্রোফাইলের সঙ্গে মানাবে কি না, নিশ্চিত নন?
প্রতিটি ফাইলই আলাদা—আপনার HSC-এর ফল, হাতে থাকা ফান্ড, প্রোগ্রামের ভাষা, আপনার সময়সীমা। একবার এসে আমাদের সঙ্গে বসুন। কাগজগুলো সততার সঙ্গে দেখে আমরা যা মনে করি তা-ই বলব—এমনকি উত্তরটা যদি হয় অন্য কোনো দেশ আপনার জন্য বেশি মানানসই, তবে সেটাও।
ফ্রি কনসালটেশন বুক করুন →