এমন একটা স্কলারশিপ আছে, যা একজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে মাসে এক লাখ টাকার বেশি দেয়, ভর্তি পরীক্ষা থেকে টিউশন — সব ফি মাফ করে, আর খামের ভেতরে যাওয়া-আসার বিমান টিকিটও থাকে। এটি চলছে দশকের পর দশক, বাংলাদেশে জাপান দূতাবাস নিজেই বাংলাদেশের GPA পদ্ধতিতে এর যোগ্যতার শর্ত প্রকাশ করে, আর যাঁরা যোগ্য হতেন তাঁদের বেশিরভাগই সময়মতো এর নামই শোনেন না। শেষ কথাটাই আসল সমস্যা। MEXT চলে আপনার জাপানে পৌঁছানোর প্রায় দুই বছর আগে থেকে — আর যাঁরা হাতছাড়া করেন, তাঁরা বাতিল হন না, দেরি করে ফেলেন।
জাপান সরকারের MEXT স্কলারশিপ স্তর অনুযায়ী মাসে ¥১,৪৩,০০০ থেকে ¥১,৪৫,০০০ ভাতা দেয়, ভর্তি পরীক্ষা, ম্যাট্রিকুলেশন ও টিউশন ফি মাফ করে, আর দুই দিকেই ইকোনমি ক্লাসের টিকিট দেয়। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা আবেদন করেন বাংলাদেশে জাপান দূতাবাসের মাধ্যমে, যারা নিজেরাই শর্ত প্রকাশ করে — আর সেশন শুরু হয় পৌঁছানোর প্রায় দুই বছর আগে।
MEXT স্কলারশিপ আসলে কত টাকা দেয়?
জাপান সরকারের Study in Japan সাইটে প্রকাশিত ২০২৭ সালের MEXT Research Students-এর অফিশিয়াল Application Guidelines তিনটি মাসিক হার বেঁধে দিয়েছে: প্রস্তুতিমূলক ও non-regular শিক্ষার্থীদের জন্য ¥১,৪৩,০০০, স্নাতকোত্তর ও professional degree-র regular শিক্ষার্থীদের জন্য ¥১,৪৪,০০০, আর PhD-র regular শিক্ষার্থীদের জন্য ¥১,৪৫,০০০। খরচ বেশি এমন নির্দিষ্ট অঞ্চলে যাঁদের রাখা হয়, তাঁরা মাসে বাড়তি ¥২,০০০ বা ¥৩,০০০ পান।
ভাতার পাশাপাশি guidelines-এ লেখা আছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা, ম্যাট্রিকুলেশন ও টিউশন ফি মাফ। আর MEXT জাপানে যাওয়ার এবং পাস করে দেশে ফেরার ইকোনমি ক্লাসের টিকিট দেয়। বিমানবন্দর পর্যন্ত দেশের ভেতরের যাতায়াতের খরচ শিক্ষার্থীর নিজের।
২০২৭ সেশনের স্কলারশিপের সময়কাল এপ্রিলে যোগ দিলে এপ্রিল ২০২৭ থেকে মার্চ ২০২৯, আর অক্টোবরে যোগ দিলে সেপ্টেম্বর/অক্টোবর ২০২৭ থেকে মার্চ ২০২৯ — আর ভাষার দক্ষতা যথেষ্ট না হলে প্রথম ছয় মাস Japanese ভাষার প্রস্তুতিমূলক শিক্ষায় যেতে পারে।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থী MEXT-এর কোন কোন ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে পারেন?
বাংলাদেশে জাপান দূতাবাসের নিজের স্কলারশিপ নোটিশ অনুযায়ী পাঁচটিতে। সাধারণ গাইডগুলো এই অংশটাই বাদ দেয়, কারণ দূতাবাস MEXT-এর শর্তগুলো এমন ভাষায় অনুবাদ করেছে যা একজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সত্যিই চেনেন:
| ক্যাটাগরি | বয়স | সময়কাল | মূল শর্ত |
|---|---|---|---|
| Research | ৩৫-এর নিচে | সর্বোচ্চ ২ বছর, ৬ মাস ভাষা প্রশিক্ষণসহ | ফার্স্ট ক্লাস, ৬০%+ বা CGPA ৩.৫+ |
| Undergraduate | ১৭–২৫ | সাধারণত ৫ বছর, ভাষা প্রশিক্ষণসহ | SSC ও HSC-তে GPA ৪.৫+, মূল বিষয়ে A+ |
| Teacher's Training | ৩৫-এর নিচে | ৬ মাস + ১ বছর মাস্টার্স স্তর | ৫ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা |
| College of Technology | ১৭–২৫ | ৩ বছর | GPA ৫.০ ও মূল বিষয়ে A+ |
| Specialized Training College | ১৭–২৫ | ভিন্ন | ১২ বছরের শিক্ষা সম্পন্ন |
বয়স গণনা হয় ১ এপ্রিল ধরে। খেয়াল করুন, দূতাবাস বাংলাদেশের গ্রেডিং নিয়ে কতটা নির্দিষ্ট — স্নাতকের পথে SSC ও HSC দুটোতেই ৫-এর মধ্যে GPA ৪.৫, আর College of Technology-র পথে পুরো GPA ৫.০। এখানে তর্ক করার কোনো অস্পষ্টতা নেই, আর এর নিচে আবেদন করারও মানে নেই।
টেবিলে ভরসা করার আগে পড়ুন: বাংলাদেশে জাপান দূতাবাসের scholarship-details পাতাটির প্রকাশের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০২০। ওপরের শর্তগুলো সেই পাতারই প্রকাশিত তথ্য, আর বয়সসীমা চলতি MEXT guidelines-এর সঙ্গে হুবহু মেলে — তবে ছয় বছরের পুরনো পাতা সরে যেতে পারে। যে সেশনে আবেদন করবেন, দূতাবাসের সেই বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে প্রতিটি অঙ্ক মিলিয়ে নিন। তথ্য মূল সূত্র থেকে পড়া ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ।
দূতাবাসের শর্ত কি এখনো MEXT-এর নিয়মের সঙ্গে মেলে?
যে একটি জায়গায় আমরা মিলিয়ে দেখতে পেরেছি, সেখানে হ্যাঁ — আর একেবারে নিখুঁতভাবে। দূতাবাস বলছে Research আবেদনকারীর বয়স ১ এপ্রিল হিসেবে ৩৫-এর নিচে হতে হবে। অফিশিয়াল ২০২৭ guidelines বলছে, আবেদনকারীর জন্ম নীতিগতভাবে ২ এপ্রিল ১৯৯২ বা তার পরে হতে হবে — যা জন্মতারিখের ভাষায় ঠিক একই কথা: ২ এপ্রিল ১৯৯২-এ জন্ম হলে ২ এপ্রিল ২০২৭-এ ৩৫ পূর্ণ হয়, অর্থাৎ ১ এপ্রিল ২০২৭-এ তিনি ৩৫-এর নিচে।
ছোট বিষয়, তবে দূতাবাসের পাতাটির বাকি অংশে কতটা ভরসা রাখবেন — সেটা ঠিক করতে কাজে লাগে। ছয় বছরের ব্যবধানে লেখা দুটি কাগজ হিসাবের জায়গায় একমত।

আবেদনের আসল সময়টা কখন?
এখানে সেই তথ্য, যেটি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে, আর প্রায় কেউই সোজাভাবে বলে না: MEXT-এর embassy-recommendation সেশন শুরু হয় জাপানে পা রাখার প্রায় দুই বছর আগে।
অফিশিয়াল ২০২৭ screening schedule এটা স্পষ্ট করে দেয়। আবেদন শুরু হয়েছিল এপ্রিল ২০২৬-এর মাঝামাঝি। প্রথম screening চলেছে মে ২০২৬-এর শুরু থেকে জুলাই ২০২৬-এর শেষ পর্যন্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ে placement-এর অনুরোধের শেষ তারিখ ছিল ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬। দ্বিতীয় screening-এর ফল আসে জানুয়ারি থেকে মার্চ ২০২৭-এর মধ্যে — আর শিক্ষার্থী রওনা দেন তারপর, এপ্রিল বা অক্টোবর ২০২৭-এ।
বাংলাদেশে জাপান দূতাবাস একই ছন্দ স্থানীয় ভাষায় বলে: এপ্রিলে বিজ্ঞপ্তি, মে-তে আবেদন জমা, আর ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে MEXT-এর চূড়ান্ত নির্বাচন।
২০২৭ সেশনের আবেদন বাংলাদেশে জমা পড়েছে এপ্রিল-মে ২০২৬ নাগাদ। সেই জানালা আর নেই। আপনার বাস্তবসম্মত লক্ষ্য পরের সেশন — দূতাবাস বিজ্ঞপ্তি দেবে এপ্রিল ২০২৭ নাগাদ, পৌঁছানো ২০২৮-এ। এখন শুনলে এটা খারাপ খবর নয় — এটা প্রায় ছয় মাসের প্রস্তুতির সময়, যা বেশিরভাগ আবেদনকারী কখনো পান না। খারাপ খবর হয় তখনই, যখন এটা মার্চে শোনেন।
| ধাপ | ২০২৭ সেশন | সূত্র |
|---|---|---|
| আবেদন শুরু | এপ্রিল ২০২৬-এর মাঝামাঝি | MEXT guidelines |
| প্রথম screening | মে – জুলাই ২০২৬ | MEXT guidelines |
| Placement অনুরোধের শেষ দিন | ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | MEXT guidelines |
| চূড়ান্ত ফল | জানুয়ারি – মার্চ ২০২৭ | MEXT guidelines |
| পরের সেশনে বাংলাদেশের তারিখ | এখনো বিজ্ঞপ্তি হয়নি | না |
ভাতার অঙ্কটা টাকায় কত?
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ Wise-এর mid-market রেট ১ JPY = ০.৭৭৮৭ টাকা ধরে প্রকাশিত হারগুলো এভাবে দাঁড়ায়। টাকার ঘরটি জাপানের yen অঙ্কের ওপর আমাদের হিসাব:
| স্তর | Yen / মাস | টাকা (প্রায়) |
|---|---|---|
| প্রস্তুতিমূলক / non-regular | ¥১,৪৩,০০০ | ৳১,১১,৩৫০ |
| স্নাতকোত্তর / professional degree | ¥১,৪৪,০০০ | ৳১,১২,১৩০ |
| PhD | ¥১,৪৫,০০০ | ৳১,১২,৯১০ |
| অঞ্চলভিত্তিক বাড়তি, ওপরের হার | ¥৩,০০০ | ৳২,৩৪০ |
এই অঙ্ক নিয়ে দুটো সৎ কথা। জাপান সস্তা নয়, আর Tokyo-র বাসা ভাড়া এর বড় অংশ নিয়ে নেবে — এটি জীবনযাত্রার ভাতা, বেতন নয়, আর কিছু স্কলারশিপের মতো এর সঙ্গে বিনা খরচের ডর্ম বাঁধা নেই। তবে টিউশন ও ভর্তির ফি মাফ এবং দুই দিকের ফ্লাইট দেওয়া থাকায় ভাতাটার ওপর অসম্ভব চাপ পড়ে না। এটি সেই অল্প কয়েকটি full-funded প্যাকেজের একটি, যেখানে একজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী প্রথম বছরে পার্ট-টাইম কাজ ছাড়াই সত্যিই নিজের খরচ চালাতে পারেন।
আবেদন করতে Japanese ভাষা জানতে হয়?
না — তবে শেখার ইচ্ছা থাকতে হয়। Guidelines সোজাসুজি বলছে, আবেদনকারীকে Japanese শিখতে ইচ্ছুক হতে হবে, আর যাঁদের দক্ষতা যথেষ্ট নয় তাঁরা ডিগ্রি শুরুর আগে ছয় মাসের প্রস্তুতিমূলক শিক্ষা পেতে পারেন। Undergraduate আর College of Technology পথে দূতাবাসের নিজের বর্ণনাতেই ভাষা প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামের সময়ের ভেতরে ধরা — স্নাতকে "Japanese-language training সহ" সাধারণত পাঁচ বছর।
পাঁচ বছরের স্নাতক প্রোগ্রাম, যার এক বছর ভাষা শেখা — সেটি ধীর ডিগ্রি নয়; সেটি ফান্ডিং-পাওয়া এক বছরের নিমজ্জন, যা নিজের টাকায় পড়া শিক্ষার্থী আলাদা করে কখনো কিনতে পারতেন না। তবে জীবনের পরিকল্পনাটা আসল সময়কাল ধরেই সাজান। যে পরিবার চার বছরে গ্র্যাজুয়েট ফেরার অপেক্ষায় আছে, তাদের পাঁচ বছরের কথাটাই বলা উচিত।
বাংলাদেশি apostille কি জাপানে চলে?
হ্যাঁ। জাপান ১৯৬১ সালের Hague Apostille Convention-এর পক্ষভুক্ত ২৭ জুলাই ১৯৭০ থেকে, বাংলাদেশের যোগদান কার্যকর ৩০ মার্চ ২০২৫ থেকে, আর আপত্তি জানানো বারোটি দেশের মধ্যে জাপান নেই। অর্থাৎ সার্টিফিকেট ও ট্রান্সক্রিপ্টের জন্য বাংলাদেশের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের একটি apostille-ই স্বীকৃত পথ, সত্যায়ন আর দূতাবাস legalisation-এর পুরনো শিকলের বদলে।
কার্যকর হওয়ার তারিখগুলো HCCH-এর Apostille status table থেকে পড়া ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ; আপত্তির তালিকা HCCH notifications register থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ। আবেদনের সঙ্গে জমা দেওয়া কাগজের জন্য দূতাবাস নিজের ফরম্যাট বলে দিতে পারে, তাই আপনার সেশনের বিজ্ঞপ্তি মেনে চলুন।
এখন আপনার কী করা দরকার?
- Apostille করা SSC, HSC ও ডিগ্রির সার্টিফিকেট, সঙ্গে পূর্ণ ট্রান্সক্রিপ্ট
- আপনার প্রতিষ্ঠানের গ্রেডিং অচেনা হলে তার রূপান্তর বা ব্যাখ্যা
- Field of study ও research plan — নির্দিষ্ট জাপানি প্রতিষ্ঠানকে মনে রেখে লেখা
- বর্তমান বা সর্বশেষ প্রতিষ্ঠানের রেফারেন্স চিঠি
- নির্ধারিত ফরম্যাটে মেডিকেল সার্টিফিকেট
- Japanese বা English ভাষা শেখার প্রমাণ, থাকলে
- Research আবেদনকারীদের জন্য প্রকাশিত কাজের abstract
- আপনার ক্যাটাগরির জন্য দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে চাওয়া বাড়তি কাগজ
MEXT কী কী দেয় না?
বাংলাদেশে পাসপোর্ট আর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স। Apostille-এর ফি। দুই প্রান্তেই দেশের ভেতরের যাতায়াত। স্টুডেন্ট ভিসা — যা স্কলারশিপ পাওয়ার পরও আলাদা ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া। থাকার ব্যবস্থা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিনা খরচে নয় — ভাতা থেকেই তা চালানোর কথা। আর জাপানে পৌঁছে ভাতার চক্র শুরু হওয়ার আগের সপ্তাহগুলোও আপনার।
MEXT-এর embassy-recommendation আবেদন বিনামূল্যে। বিজ্ঞপ্তি পাওয়া, screening হওয়া বা নির্বাচিত হওয়ার কোনো ফি নেই। বাংলাদেশে কেউ MEXT-এর আবেদনে ঢোকার জন্য টাকা নিলে তিনি জাপান সরকারের বিনামূল্যের সেবার জন্যই টাকা নিচ্ছেন। আপনি গ্রেডের সীমা পার করেন কি না তা যাচাই করাতে বা কাগজ ঠিক করাতে টাকা দেওয়া সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়।
Eduvisa-তে আমরা যা দেখি
যাঁরা MEXT হারান, তাঁরা প্রায় কখনোই গ্রেডে পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থী নন। তাঁরা সেই শিক্ষার্থী, যাঁরা এর কথা শোনেন জুনে — মে মাসের জমার জানালা বন্ধ হওয়ার পর — আর তারপর কিছু প্রস্তুত না করেই এক বছর অপেক্ষা করেন; প্রায়ই পরেরটাও হাতছাড়া করেন, কারণ বিজ্ঞপ্তি এপ্রিলে আসে — এটা কেউ তাঁদের বলেনি। এই স্কলারশিপে সময়জ্ঞানই পুরো দক্ষতা। GPA ৫.০ আর আঠারো মাস হাতে নিয়ে কোনো শিক্ষার্থী এলে আমাদের কাজ মূলত একটাই — সেই সময়টা যেন নষ্ট না হয়।
এই গাইডের অফিশিয়াল সূত্র: MEXT Scholarship 2027 Embassy Recommendation-এর application guidelines (Study in Japan, জাপান সরকার), বাংলাদেশে জাপান দূতাবাসের scholarship details, এবং HCCH Apostille Convention status table।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ থেকে জাপানের স্টুডেন্ট ভিসা · বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য চীনের CSC স্কলারশিপ
এই লেখাটি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ব্লগ-গবেষণা। Eduvisa এই মুহূর্তে জাপানের আবেদন প্রসেস করে — এমন কোনো প্রতিশ্রুতি এটি নয়। জিজ্ঞেস করলে আমরা স্পষ্ট করেই বলব কোনটা আমরা করি আর কোনটা করি না।
গ্রেডের সীমা পার করেন? তাহলে আপনার আর জাপানের মাঝে শুধু সময়জ্ঞানটাই দাঁড়িয়ে আছে।
SSC আর HSC-র ফল নিয়ে আসুন — আমরা সোজা বলব আপনি দূতাবাসের প্রকাশিত সীমা পার করেন কি না, কোন ক্যাটাগরি আপনার জন্য, আর বিজ্ঞপ্তি আসার আগে ঠিক কী কী শেষ করতে হবে। যোগ্য না হলে সেটাও বলব।
ফ্রি কনসালটেশন বুক করুন →
