মূল অংশে যান
← ব্লগে ফিরে যান

বাংলাদেশ থেকে হাঙ্গেরিতে পড়াশোনা ২০২৭: খরচ ও বৃত্তি

২০২৭ সালে বাংলাদেশ থেকে হাঙ্গেরিতে পড়াশোনা: Stipendium Hungaricum বৃত্তিতে কী থাকে, আর বাংলাদেশি নাগরিকদের নাম ধরে বলা দেড় বছরের টিউশনের নিয়মটি কী।

প্রকাশিত 14 Aug, 2026 hungary

Read in English →
বাংলাদেশ থেকে হাঙ্গেরিতে পড়াশোনা ২০২৭: খরচ ও বৃত্তি

ঢাকার এক অফিসে হাঙ্গেরির অফার লেটার হাতে ঢুকলেন এক শিক্ষার্থী, মাথায় একটা হিসাব — টিউশন বছরে প্রায় ছয় হাজার ডলার, তাই এক বছরের টাকাটা পরিবারকে জোগাড় করতে হবে। হিসাবটা আধা বছরের ফি কম। কেউ তাঁকে মিথ্যা বলেনি; বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজের ওয়েবসাইটেই একটা নিয়ম লেখা আছে, যেটা বিশেষভাবে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য — আর পাতার অতদূর পর্যন্ত প্রায় কেউ পড়েন না।

১.৫ বছরটিউশন আগাম, বাংলাদেশিদের জন্য*
৪৩,৭০০HUF মাসিক বৃত্তি ভাতা
~৯০০বিদেশি ভাষার প্রোগ্রাম
New Delhiযেখানে ভিসার সিদ্ধান্ত হয়*

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা হঠাৎ হাঙ্গেরির দিকে তাকাচ্ছেন কেন?

কারণ চেনা গন্তব্যগুলো একই সঙ্গে কঠিন আর ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে, আর হাঙ্গেরি ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভেতরে বসে ইংরেজিতে পড়ানো ডিগ্রি দিচ্ছে ব্রিটেন বা নেদারল্যান্ডসের ভগ্নাংশ খরচে। ঢাকার কনসালটেন্সিগুলোও সেটা টের পেয়েছে: যারা আগে শুধু UK আর Australia বিক্রি করত, তাদের অনেকেই এখন "Study in Europe" ডেস্ক খুলেছে, আর প্রায় সবগুলোর তালিকাতেই হাঙ্গেরি আছে।

ওই পাতাগুলো যা বলে না তা হলো — টাকা কীভাবে দিচ্ছেন, তার ওপর হাঙ্গেরি দুটো আলাদা জিনিস হয়ে যায়। সরকারি বৃত্তিতে গেলে এটি একজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর ইইউ ডিগ্রি পাওয়ার সবচেয়ে সস্তা পথগুলোর একটি। নিজের খরচে গেলে শুরুতেই এমন নগদ চাপ আসে, যা অনেক পরিবারকে বিপাকে ফেলেছে। এখানে দুটো পথই সৎভাবে বলা হলো, কারণ ভুল পথ বাছলে একটা বছর নষ্ট হয়।

Stipendium Hungaricum বৃত্তিতে আসলে কী কী থাকে?

এটি হাঙ্গেরি সরকারের বৃত্তি কর্মসূচি। ২০২৬/২৭ চক্রে হাঙ্গেরির প্রায় ৩০টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান এতে যুক্ত ছিল, আর বিদেশি ভাষায় — মূলত ইংরেজিতে — পড়ানো প্রোগ্রাম ছিল প্রায় ৯০০টি। কর্মসূচির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী বৃত্তিপ্রাপ্তদের টিউশন পুরোটাই দেওয়া হয়, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীরা বছরের ১২ মাস HUF ৪৩,৭০০ মাসিক ভাতা পান, থাকার জন্য বিনামূল্যে হল অথবা মাসে HUF ৪০,০০০ সহায়তা মেলে, আর সঙ্গে থাকে চিকিৎসা বিমা — বছরে HUF ৬৫,০০০ পর্যন্ত বাড়তি কভারসহ।

ভাতাটা নিয়ে বাড়তি স্বপ্ন দেখবেন না। আজকের হারে HUF ৪৩,৭০০ মানে মাসে প্রায় ১৭ হাজার টাকা — সত্যিকারের সহায়তা, তবে বেতন নয়। খাওয়া, যাতায়াত আর বইয়ের খরচ এর বাইরে ধরতে হয়, আর বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর হিসাব মেলে মূলত বিনামূল্যের হলের কারণে।

সুবিধাপরিমাণআনুমানিক টাকাউৎস
টিউশনপুরোটাই—কর্মসূচি সূত্র
মাসিক ভাতাHUF ৪৩,৭০০৳১৭,০৫০কর্মসূচি সূত্র
থাকাহল বা HUF ৪০,০০০৳১৫,৬০০কর্মসূচি সূত্র
বিমার বাড়তি কভারবছরে HUF ৬৫,০০০৳২৫,৪০০চলতি বিজ্ঞপ্তি দেখুন
বিমানভাড়ানেই—নিজের খরচ

হিসাব HUF ১ = ৳০.৩৯০২ ধরে (মুক্ত বিনিময় হার ফিড, ১৪ আগস্ট ২০২৬)। হার প্রতিদিন বদলায়।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থী কীভাবে Stipendium Hungaricum-এ আবেদন করবেন?

এখানেই বাংলাদেশের প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক ব্লগে লেখা প্রক্রিয়ার থেকে আলাদা, আর এই পাতার সবচেয়ে কাজের তথ্যও এটাই। বৃত্তিটি চলে দেশভিত্তিক মনোনয়নে: আপনার সরকার প্রার্থী মনোনীত করে। তাই বাংলাদেশি আবেদনকারীর জন্য শুধু হাঙ্গেরির পোর্টালে অনলাইন আবেদন করাই পুরো প্রক্রিয়া নয়।

২০২৬/২৭ চক্রে বাংলাদেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ নিজেদের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করে ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে, সঙ্গে হাঙ্গেরির আবেদন পোর্টালের লিংক। বিজ্ঞপ্তিতে বাংলায় স্পষ্ট নির্দেশ ছিল — অনলাইন আবেদনের হার্ডকপি সচিবালয়ের ২ নম্বর গেইট-সংলগ্ন অভ্যর্থনা কক্ষে রাখা বাক্সে বিকাল ৫টার মধ্যে জমা দিতে হবে। যে শিক্ষার্থী হাঙ্গেরির অনলাইন ফরম পূরণ করেই থেমে গেছেন, তিনি প্রক্রিয়ার বাংলাদেশ অংশটাই বাদ দিয়ে ফেলেছেন।

২০২৬/২৭-এর জন্য হাঙ্গেরির পোর্টালের সময়সীমা ছিল ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, দুপুর ২টা (মধ্য ইউরোপীয় সময়)। এই লেখার সময় পর্যন্ত ২০২৭/২৮ চক্রের বিজ্ঞপ্তি আসেনি, তাই জানুয়ারির মাঝামাঝি একটা তারিখ ধরে পরিকল্পনা করুন — আর মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি এলে দুটো তারিখই মিলিয়ে নিন।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য হাঙ্গেরির দুই পথের তুলনা: Stipendium Hungaricum বৃত্তিতে টিউশন ও মাসিক ভাতা, আর নিজের খরচে দেড় বছরের টিউশন আগাম
একই বিশ্ববিদ্যালয়, একই ডিগ্রি — কোন দরজা দিয়ে ঢুকছেন তার ওপর টাকার হিসাব পুরো বদলে যায়।

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য দেড় বছরের টিউশনের নিয়মটা কী?

হাঙ্গেরিতে সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী রাখা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি University of Debrecen নিজেদের ভর্তির পাতায় একটি নীতি প্রকাশ করেছে, শিরোনাম — "Special regulations for Bangladeshi, Pakistani, Afghan, Syrian, Burmese and Yemeni citizens"। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব দেশের আবেদনকারীদের নিয়ে তাদের যে প্রশাসনিক জটিলতা হয়েছিল, তা কমাতেই এই নিয়ম।

মূল কথাটা, কার্যকর সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে: যেসব প্রোগ্রামের টিউশন ১০,০০০ ডলারের কম, সেখানে এই দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের ভিসা সহায়ক কাগজ পাওয়ার আগে দেড় বছরের টিউশন দিতে হবে। প্রিপারেটরি কোর্সের ক্ষেত্রে দিতে হবে প্রিপারেটরির ফি, সঙ্গে পরের বছরের স্নাতক প্রোগ্রামের প্রথম সেমিস্টার বা প্রথম বছরের ফি — মিলিয়ে সেই দেড় বছরই।

টাকাটা কিন্তু হারিয়ে যায় না। প্রথম সেমিস্টার সফলভাবে শেষ করলে — অর্থাৎ সেমিস্টারে সক্রিয় শিক্ষার্থী থাকলে এবং অন্তত একটি বিষয়ে স্বাক্ষর পেলে — বাড়তি টাকাটা পরের বছরের টিউশনে সমন্বয় করা যায়। আর যাঁদের ফল নিজের ব্যাচের গড়ের চেয়ে ভালো, তাঁরা বার্ষিক ফির অতিরিক্ত অংশ ফেরত চাইতে পারেন।

একটা সতর্কতা: এটি একটি নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতি, তাদের নিজের সাইটে প্রকাশিত। হাঙ্গেরির অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের নিয়ম ঠিক করে, অনেকের এমন শর্ত নাও থাকতে পারে। তাই ধরে নেবেন না যে এটা সব জায়গায় খাটে, আবার এটাও ধরে নেবেন না যে আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ে খাটে না — টাকা পাঠানোর আগে ওই প্রতিষ্ঠানের ভর্তির পাতাটা নিজে পড়ুন।

বাংলাদেশি আবেদনকারীর হাঙ্গেরি ভিসার সিদ্ধান্ত কোথায় হয়?

আমাদের হাতে থাকা তথ্য অনুযায়ী ঢাকায় নয়। বাংলাদেশে হাঙ্গেরির স্টুডেন্ট ভিসার সিদ্ধান্ত দেওয়ার কার্যালয় নেই; আবেদনকারীরা সাধারণত ঢাকার ভিসা আবেদন কেন্দ্রে বায়োমেট্রিক ও কাগজপত্র জমা দেন, আর সিদ্ধান্ত নেয় সংশ্লিষ্ট হাঙ্গেরিয়ান মিশন — নয়াদিল্লিতে হাঙ্গেরির দূতাবাস। এই গবেষণার সময় হাঙ্গেরি সরকারের কোনো পাতায় বিষয়টি মেলাতে পারিনি, তাই এটিকে অনিশ্চিত ধরুন এবং ভ্রমণ পরিকল্পনা বা অফেরতযোগ্য ফি দেওয়ার আগে মিশনে যাচাই করুন।

University of Debrecen-এর নিজস্ব নির্দেশনা থেকে দুটি বিষয় নিশ্চিত। পড়াশোনার ভিসা হলো D-টাইপ ভিসা, যা কেবল নিজের দেশে বা বসবাসের সবচেয়ে কাছের হাঙ্গেরিয়ান দূতাবাসেই নেওয়া যায় — হাঙ্গেরিতে পৌঁছে এটি করা যায় না। আর ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া যায় সবচেয়ে আগে হাঙ্গেরিতে প্রবেশের ৯০ দিন আগে, যা আপনার পুরো সময়সূচির সীমা ঠিক করে দেয়।

নয়াদিল্লিতে সিদ্ধান্ত হওয়ার ব্যাপারটা চেনা লাগছে? লাগারই কথা — বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সাইপ্রাসও একইভাবে চলে। যাঁরা ওই পথ পার করেছেন, তাঁরা কুরিয়ারের সময় আর অপেক্ষাটা আগে থেকেই বোঝেন।

হাঙ্গেরিতে পৌঁছানোর পর কী হয়?

D ভিসা আপনাকে ঢোকায়, থাকার অধিকার দেয় রেসিডেন্স পারমিট। পৌঁছে বায়োমেট্রিক আর বাকি কাগজ জমা দিয়ে পারমিটের আবেদন করতে হয়। আর ১ জুলাই ২০২৩ থেকে অভিবাসনসংক্রান্ত বেশিরভাগ কাজ — পারমিটের মেয়াদ বাড়ানো, ঠিকানা বদলানো — কাউন্টারে নয়, হাঙ্গেরির অভিবাসন কর্তৃপক্ষের অনলাইন ব্যবস্থায় করতে হয়।

তাই প্রথম দুই সপ্তাহের পরিকল্পনা সেভাবেই করুন, ঠিক যেমন Italy বা Cyprus-এ করতেন। ইউরোপজুড়ে ধরনটা একই — ভিসা কাগজের কাজের শেষ নয়, শুরু।

হাঙ্গেরিতে টাকা পাঠানোর আগে

  • বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির পাতায় গিয়ে "Bangladesh" শব্দটি খুঁজুন।
  • ভিসার কাগজের আগে কত মাসের টিউশন দিতে হবে, লিখিতভাবে জেনে নিন।
  • ভিসা রিফিউজ হলে বাড়তি টাকার কী হবে, জিজ্ঞেস করুন।
  • আগে দেখুন আপনার প্রোগ্রামটি Stipendium Hungaricum-এর তালিকায় আছে কি না।
  • ডিসেম্বরের শেষ থেকে shed.gov.bd-তে মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি খেয়াল করুন।
  • কোন মিশন আপনার আবেদন দেখবে, বুকিংয়ের আগে নিশ্চিত হন।

হাঙ্গেরি বাছার আগে Eduvisa-য় আমরা যা বলি

দুটো প্রশ্নেই সিদ্ধান্ত হয়, আর কোনোটাই র‌্যাঙ্কিং নিয়ে নয়।

প্রথম প্রশ্ন: বৃত্তি পাওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা আপনার আছে কি? ফল ভালো হলে আর বিষয়টি তালিকায় থাকলে Stipendium-এর পথ পুরো হিসাবটাই বদলে দেয় — তখন কাজটা ব্যাংক ট্রান্সফার নয়, জানুয়ারির একটা সময়সীমা সামলানো। টাকা দেওয়ার আগে অন্তত একবার সিরিয়াসভাবে চেষ্টা করে দেখা উচিত।

দ্বিতীয় প্রশ্ন: নিজের খরচে গেলে ভিসা হওয়ার আগেই পরিবার কি দেড় বছরের টিউশন ছাড়তে পারবে? এই প্রশ্নটা আগে করলে অনেক পরিবার খুব কঠিন জায়গা থেকে বেঁচে যায় — টাকা পাঠানো হয়ে গেছে, কাগজও এসেছে, অথচ ভিসা হয়নি। ওই পরিস্থিতিতে ফেরতের নীতি কী, বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে লিখিতভাবে জেনে উত্তরটা রেখে দিন।

যা আমরা করব না, তা হলো হাঙ্গেরিকে ইউরোপে ঢোকার সস্তা শর্টকাট বানানো। সঠিক শিক্ষার্থীর জন্য এটি যুক্তিসঙ্গত খরচে সত্যিকারের একটি ইইউ ডিগ্রি, তবে টাকার কাঠামোটা শুরুতেই ভারী — আর যিনি মন দিয়ে পড়েননি, সেটা তাঁকেই শাস্তি দেয়। এই কথাটা শিক্ষার্থীর জানা দরকার সিদ্ধান্তের আগে, পরে নয়।

কাজ করার আগে যাচাই করুন। বৃত্তির সুবিধার অঙ্ক ও ২০২৬/২৭-এর সময়সীমা এসেছে Stipendium Hungaricum কর্মসূচির প্রকাশিত তথ্য থেকে; মনোনয়ন ও হার্ডকপি জমার শর্ত এসেছে বাংলাদেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের বিজ্ঞপ্তি থেকে; দেড় বছরের টিউশনের নিয়ম ও D ভিসার তথ্য University of Debrecen-এর দাপ্তরিক পাতা থেকে। ২০২৭/২৮-এর তারিখ এবং নয়াদিল্লিতে সিদ্ধান্তের বিষয়টি অনিশ্চিত। টাকা দেওয়ার আগে প্রতিটি তথ্য বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট হাঙ্গেরিয়ান মিশনের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

Eduvisa-র সঙ্গে এটি কীভাবে যায়। হাঙ্গেরি আমাদের জন্য নতুন গন্তব্য, আর আমরা এখানে গবেষণা প্রকাশ করছি — সেবার প্রতিশ্রুতি নয়। হাঙ্গেরিই যদি আপনার লক্ষ্য হয়, তবে এসে সরাসরি কথা বলুন — আজ আমরা আপনার জন্য কী করতে পারি আর কী পারি না, সেটা স্পষ্ট বলে দেওয়াই ভালো, প্রস্তুতি ছাড়া ফাইল নেওয়ার চেয়ে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ থেকে কম খরচে বিদেশে পড়ার উপায় এবং কোন দেশ আপনার জন্য সবচেয়ে মানানসই। নয়াদিল্লিতে সিদ্ধান্ত হওয়ার ব্যাপারটা নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকলে দেখে নিন আমাদের সাইপ্রাস স্টুডেন্ট ভিসা গাইড।

ব্যবহৃত সরকারি সূত্র: Stipendium Hungaricum এবং বাংলাদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

চেনা পাঁচ দেশের বাইরে ইউরোপ ভাবছেন?

কোনো গন্তব্য সুপারিশ করার আগে আমরা সেটা ঠিকভাবে যাচাই করি — যার মানে মাঝে মাঝে ব্রোশিওরে না থাকা নিয়মটাও আপনাকে বলে দেওয়া। ২০২৭ সালের জন্য হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড বা ইউরোপের অন্য কোনো পথ ভাবনায় থাকলে আপনার ফল আর বাজেট নিয়ে আসুন; কোন দরজাটা আসলে খোলা, সেটা সৎভাবে বলে দেব।

ফ্রি পরামর্শের সময় নিন →

আপনার নিজের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন আছে?

একটি ব্লগ পোস্টে যতটুকু বলা যায়, তার বেশি কিছু না। আপনার নির্দিষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের সাথে কথা বলুন।

ফ্রি কনসালটেশন বুক করুন